গল্পগুচ্ছ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গল্পগুচ্ছ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৪ মে, ২০১৩

গল্পগুচ্ছ - ইমেল নাঈম

0 কমেন্টস্
অনিন্দিতার গল্প
ইমেল নাঈম


ও হচ্ছে অনিন্দিতা ! ওর কথাই তো জানতে চাচ্ছিলেন আমার কাছে । তার সাথে পরিচয় আমার ছয় মাসের মত , মধ্য ত্রিশের এক সুদর্শনা রমণী । বসুন আস্তে ধীরে খুলে বলি , কে এই অনিন্দিতা ? আর কেনই বা এসেছে এখানে ?

মেয়েটি প্রাণ খুলে ভালবাসতে পারতো , ভালবেসেছিল সুজন নামের এক ছেলেকে । তারা এক সাথে আট বছর কাটালেও বিয়ে করে নি .… বাকি সবকিছুই করেছিল বিবাহিতদের মতন । এরই মধ্যে তাদের ঘর আলো করে এলো সুমনা .… এভাবেই কাটছিল সময় । পুং লিঙ্গের মন সময়ের সাথে বদলে যায় ! সুজন সম্পর্ক জড়ায় তার অফিসের কলিগ রেশমার সাথে সাথে । অতঃপর যা হবার তাই হল , অনিন্দিতার মনে সন্দেহ .… সন্দেহ থেকে বিচ্ছেদ … ওদিকে সুমনাও চলে গেল বিলেতে চাচীর বাসাতে ।

… এরপরও মেয়েটি আবার ভালবেসেছিল .… ভালবেসেছিল সুদীপ্ত নামের এক পাঞ্জাবি ছেলেকে , সেই সম্পর্কটি টিকেছিল পাঁচ বছরের মত । সুদীপ্ত কি সত্যি তাকে ভালবেসেছিল কিনা কেউ আমায় কিছু জানায় নি , তবে এটা জেনেছি সুদীপ্ত সাহস করে তার পরিবারকে জানিয়েছিল অনিন্দিতার কথা । কিন্তু জাতিতত্ত্বের যাঁতাকল দিয়ে ভালবাসাকে পিষ্টে ফেললেন সুদীপ্তর মা আর সুদীপ্ত পরিবারের অবাধ্য হল না । এরপর থেকেই অনিন্দিতা আমার এখানেই থাকে , ছয় মাসের আন্তরিকতায় সে এইটুকুন সুস্থ আর হয়তো মাস দুয়েক লাগবে তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে ।

আরে মশাই কী ভাবছেন এতো ! ও প্রান্ত থেকে জবাব এলো , '' অনিন্দিতা না হয় দু মাসের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যাবে কিন্তু ম্যান্টালি ডিস অর্ডার হয়ে যাওয়া সমাজটাকে , সুস্থ করে তুলতে কত মাস লাগবে ডাক্তার সাহেব ? ''

গল্পগুচ্ছ - মিলন চট্টোপাধ্যায়

0 কমেন্টস্
শেষের সেদিন
মিলন চট্টোপাধ্যায়



চুপ করে বসে ছিল অনীক । হাতের পাশেই সদ্য কেনা ~ অ্যাটিভ্যান ২ এর একটা পাতা । ভেবে ভেবে এটাই কিনেছে , বাবার প্রেসক্রিপশন ছিলো বলে সুবিধা হয়েছে একটু । ট্রাইকা বড্ড নরম, ওতে কিছু হবে না ।

শালা এতো আঁতেল হয়েছে যে এই সময় বসে বসে ' এবং ইন্দ্রজিৎ' পড়ছিল ! ভাগ্যিস ভদি আর চদি এলো । এসেই শালা গুচ্ছের ভাট । সব মাথায় উঠে গেলো শুনে, ওদের তাড়িয়ে আসার সময় জানলা দিয়ে দেখল ~ পায়েসের মা ল্যাম্পপোস্টের পাশে দাঁড়িয়ে আছে । খদ্দের জোটে নি হয়তো আজ। অনীক ভাবল - জীবনের প্রথম নারীসঙ্গ করেই এই মহাপৃথিবী থেকে ফেটে যাবে । কিন্তু পরমুহূর্তে ভাবল - না বাবা, যদি এইডস হয় । ভেবেই ফিকফিক করে হাসতে শুরু করলো । শালা এই সময়ও এতো চিন্তা !

ঘরে ঢুকে অনেক খুঁজে একটা আধখাওয়া রামের বোতল পেলো অনীক । বহুদিন মাল খায়না, সপ্তাখানেক আগে চদি একটা পাইঁট এনেছিল খাবে বলে, অনীক ছেড়ে দিয়েছে শুনে - হো হো করে হাসতে হাসতে বলেছিল -' কি গুরু তুমি যে প্রেমিকার কথায় চৈতন্য হয়ে গেলে, আর নেওয়া যায়না মাইরি ' । অনীক হেসেছিল, সব কিছু কি ব্যাখ্যা করা যায় !
পুরোটা খেতে পারেনি চদি , বাকিটা রয়ে গেছে । ভালোই হল - রাম দিয়ে অ্যাটিভ্যান ~ জমবে ভালো ।

বরফ লাগতো একটু, কিন্তু কি আর করা যাবে । ঘরে খাবার জলও নেই । বাথরুমে পায়খানার বালতিতে জল আছে, ওতেই হয়ে যাবে । গ্লাসটাও ভেঙে গেছে , খালি বোতলে রাম ভরে জল মেশায় ও । তারপর ভাবতে থাকে । আশ্চর্য এই জীবন, সেই অর্থে কিছুই করতে পারে নি ও । যার কোনো কাজ নেই সেই কবিতা লেখে, যেমন ও লিখত । ভাঁটের লেখা সব, বিষাদ আর বিষাদ । যাতা শালা, কি সব লিখেছে এতদিন । হাসি পায় ভাবলে, লেখা পাঠাতো না কোথাও, বন্ধুরা জোর করার কিছু পাঠিয়েছিল , ছাপাও হয়েছে । ব্যস ~ নিজেকে হুনুদাস ভাবতে শুরু করে দিল । যার জন্য লিখত সেই বোঝেনি কোনোদিন । আজ ভাবে - নিশ্চয়ই খামতি ছিল, নইলে ... ।

মনে পড়ে সেই প্রথম চুমু, যেখানে ও ছিল শিক্ষার্থী । চুমুর প্রতিটা চুমুকে কি আস্বাদ । উফফ্‌ , ভালোলাগায় মরেই গেছিলো সেদিন । তারপর থেকেই প্রতিটা মুহূর্ত ... । যাক গে যাক , এসব ভেবে কি লাভ । শীত করছে খুব, জ্বর এসেছে দুদিন । এই সময় কিছু অপার্থিব লাইন মাথায় আসে । কিন্তু এখন উষ্ণতা চাই । গ্যাস ফুরিয়েছে বেশ কয়েকদিন, রাস্তার পাইস হোটেলে খেয়েছে কিছুদিন । এখন আগুন পোহায় কি দিয়ে ! ভাবতেই চোখে পড়লো - কবিতার খাতাগুলো । বাহ্‌ এই তো ~ এই আগুনের মতো উষ্ণতা আর কে দেবে । ধরিয়ে দিলো আগুন, লাল টকটকে জিভ বের করে আগুন ওকে ভ্যাংচাতে লাগলো । কবিতা পোড়া আগুনে একটা বিড়ি ধরালো অনীক । রামের বোতলে প্যাকেটের সব বড়ি ঢেলে দিল , কেমন সাদাটে সাদাটে ঘোলা হয়ে গেলো মদটা । একটা চুমুক মারলো অনীক । আহ্‌ - বুকের ভেতরে একটা আগুন নেমে গেলো যেন । একটা ঘোর আসছে , কি আরাম !
মাথায় আগুন, বুকে আগুন, পাশে আগুন ~ আর কাল তো নিজেই আগুন হয়ে যাবে । একটা আধপোড়া খাতার পাতা উড়ে এলো , কি লেখা আছে দেখতে গিয়ে দেখল একটা কবিতা ...
মায়াকে উত্তাপ দেয় আগুন
যে আগুনে পুড়ে যায় কবিতা আমার ।।
জ্বলন্ত খাতা থেকে ...
চিতার গন্ধ ভেসে আসে !

এইটুকুই পড়তে পারল অনীক । তারপর ডুবে গেল মায়ার আঁচলে ।

গল্পগুচ্ছ - প্রিয়াংকা ময়ী দেবী

1 কমেন্টস্
প্রণয় জালে জোছনা বিহার
প্রিয়াংকা ময়ী দেবী



মন খারাপের সাথে অনেক মাথা ব্যথা, সময়ের সাথে এমন আচরণ মানায় না। জীবনের এতোটা বছর একসাথে এভাবে পার করলাম, তারপরও মাঝে মাঝে এমন আচরণ সত্যি বেমানান। আকাশের তারারাও আজ আমার মত একা, বড্ড একা। তাই চাঁদের বহু দূরত্বে তাদের অবস্থান। চাঁদের জোছনা খেলে যায় আমার বারান্দায়, পুরো ঘরে নাচন ধরায়, সাথে শোয়ার খাটও বাদ যায় না। এভাবে আর কতটা রাত একা কাটানো যায়, ভুলতো মানুষ করে তাই বলে এমন আচরণ করা লাগে? আমাকে এভাবে ভুলে থাকতে পারে আমি কখনোই তা কল্পনা করিনি। জিদ আছে বটে, এতদিন শুধু আমার জিদ দেখেছিলাম, এখন আমার বাচ্চাসুলভ পাগলটাকে দেখছি, সঙ্গে জিদ। ঘুমটা অনেক আগেই ছুটি নিয়েছে। রাত আসলেই খাবলে খায় অন্ধকার। সেই স্কুল-কলেজ লাইফ এখন অনার্স, সেকি আর কম সময়। তারপরও মনে হয় বিয়ের আগেও পরে অনেক তফাৎ। অনেক ভালবাসে আমাকে তা না হলে এইভাবে এতোটা সময়, কত ঝড় তুফান মাড়িয়ে সুপার গ্লু’র মত লেগেছিল আমার পিছে। আমার এমন কি গুণ দেবতুল্য মানুষটিকে পাওয়ার। তারপরও এতোটা অকাল সময়ের মধ্যে ছায়া, ভালোবাসা দিয়ে ঘিরে রেখেছে তা আর বলার কি অপেক্ষা আছে। অবশ্যই আমি যতই বলি না কেন, আমিই তার পৃথিবী, আমাকে ছাড়া সে কখনোই থাকতে পারে নি পারবেও না ।
- আপা চা দিবো ?

- না

- কিছুই তো খান নি, এক কাপ কফি দেই?

- না বললাম তো , কিছুই খাব না। তুই গিয়ে ঘুমিয়ে পড় আর দরজা বন্ধ কিনা দেখে নিস।

- আপা ভাইয়া আইব না, আর আপনেরে কিছু না খাওয়াই ঘুমাইলে বকা দিব, আপাগো না হয় এক গ্লাস দুধ দেই ?

- না আর কয়বার বলব, যা তুই এখন, ডিস্টার্ব করিস না ।

- আইছছা ।

এরকম সময়ে একদিন বসে ছিলাম বেলকনির হুইল চেয়ারে। এবং সাথে ছিল জোছনা বিহার। হঠাৎ কাঁধে একটা হাত, বুঝলাম এসেছে আমার পাগলটা । শুধু তার জন্যই এইরকম ব্লাউজ পড়তে হয় , যাতে পিঠটার দেখা মেলে। এসেই গাড়ে একটা আলতো চুমু দিয়ে জড়িয়ে ধরে। হাতে দু’কাপ কফি। বলে ওহে! আমার পাগলী সোনা, ধরেন রাজা আপনার জন্য বানিয়েছে, খান- খান বংশের মেয়ে বলে কথা। কফি হাতে পিঠে অনেক ক্ষুধার্ত দু’টো ঠোঁটের স্পর্শ অনুভব করলাম , আর প্রতিদিনকার পাগলের মত আমায় জড়িয়ে ধরে আমার কাঁধে মাথা দিয়ে একসাথে জোছনা দেখতে লাগলাম। ঘরে হাল্কা ভলিউমে চলছে রবীন্দ্র-

“ভালোবাসি ভালোবাসি এই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায়, বাজায় বাঁশি ভালোবাসি.........”।।

এতোটা ভালোবাসে এমন পাগল আমার জীবনে আরেকটা দেখছি কিনা সন্দেহ। মাঝে মাঝে আবার কিসব আবোল-তাবোল বলে বেড়ায়-
“চল না সই জোছনা বিহারে,
নীলিমা হারিয়েছে যে পাহাড়ে ।
সেই আবেগে ভাসবো তুমি আর আমি ,
সাক্ষী থাকবে শুধু অন্তর্যামী”।

এই পাগলের এইরকম বহু পাগলামি আমাকে সহ্য করতে হয় সময়ে অসময়ে। জড়িয়ে ধরা স্টাইলে আমাকে বলে- জানো আমার পাগলী, জানো আমার ‘ঠিলা’। আসলে আমার নাম মিথিলা, তাই দুস্টমি করে বলে ঠিলা। একদিন তুমি আর আমি ওই নীলিমায় মিলাব আর জোছনা বিহারে গা ভিজাব। কি বল পাগলী আমার?
- আমি আর কি বলব, পাগল যা বলে তা মানতে হয়, না হলে স্ক্রু যে ঢিলা আছে তা খুলে পড়ে যাবে। অনিন্দ্য একটা কথা বলি?

- একটা কথা বলে তো দিয়েছ, আচ্ছা বল।

একদিন বিকেলে তুমি আর আমি ঘুরতে বেরুবো। প্রতিদিনকার চেয়ে একটু ভিন্ন ভাবে। ধরো তুমি পাঞ্জাবী পরবে, কালো-শাদা যেকোন ধরণের। আমি একটা শাদা ছোপের কালো শাড়ি পরবো। বড় গলার ব্লাউজ যেটা তোমার খুবই পছন্দের তারপর কানে লম্বা দুল, আর হাতে সাতরঙা চুড়ি, চুল থাকবে বাঁধা। আর তুমি তাতে একটা কদম গুঁজে দিবে। এই ভাবে কোন নদীর পাড়ে হাত ধরে সূর্যাস্ত দেখবো। এবং কেউ একজন পিছন থেকে আমাদের ছবি তুলবে ।। মজা হবে না ।।
- হা হা , দারুণ মজা হবে আর জটিল হবে ।

- যা ফাজিল সবসময় এইরকম করা মানায় না?

- কই আমি আবার কি করলাম , আমি শুধু সম্মতি দিয়েছি । হা যাবো একদিন ।।

ঘড়ি তে তখন রাত ৩.৩০ । বাহিরের শিউলি আর চাঁপা গন্ধে মনটা ভরে গেল, মদির নেশার মত খুঁজে তোমাকে। ঘরে তখনো বাজছে গান, এখন চলছে অর্ণব এর-

“মাঝে মাঝে তব দেখা পাই চিরকাল কেন পাই না”।

না আর রাগ করা নয়, ভালবাসার মানুষের কাছে জেতা হারা কিছুই নয় । জিতলেও কি হারলেও কি ? বালিশের পাশ হতে মোবাইল নিয়ে টেক্সট –এ গিয়ে লিখলাম-

ভালো তো, ভালো না , খুব ভালো ... যেটা আমি চেয়েছি । থাকো তোমার পার্ট নিয়ে ।। ভালোবাসি তো , ভালবাসতাম তো , আমি কি করবো আমার মাথা যে এমন তা তো তুমি জানো । সরি ... সরি বলছি তো ... সরি ...


তারপর মোবাইল ফেলে বিছানায় গেলাম ঘুমাতে...। সঙ্গে সঙ্গে দেখি রিপ্লে-

হা ভালো খুবি ভালো , ভালো না। পাগলী আমার তাইলে বুঝেছে এতদিন পর। ভালবাসায় এমন পাগলামি না থাকলে কি মানায়... চলুক এইভাবে অফুরান এইভাবে ।


চোখে তখন টলমলে জল , আর মনে পরছে রবীন্দ্র নাথের সেই লাইন –
‘ভালবেসে সখি নিভৃত যতনে, আমার নামটি লিখ তোমার মনের মন্দিরে”।

গল্পগুচ্ছ - কাশীনাথ গুঁই

0 কমেন্টস্
ডায়েরীর পাতা: মনে পড়ে।
কাশীনাথ গুঁই



সেই জল পড়ে পাতা নড়ে দিয়ে যে জীবনের গান শুরু হল আজও তার চেয়ে মোহময়ী সুর পেলাম কই।বারান্দার বারোয়ারী বিছানায় শুয়ে ঘুম আসতে চাইতো না - চাঁদের আলো হাতছানি দিয়ে মেঘের নাওয়ে চড়িয়ে নিয়ে সারারাত সাথী হত যে আমার। কপালে মায়ের হাত বোলানোর আশায় কত আঁধার রাতে নীরবে ককিয়ে উঠেছি - মা যে তখন বোনের ঘুমপাড়ানী ক্ষিদে মিটিয়ে কখন নিজেই ঘুমিয়ে পড়েছেন জানিনা। এই রাতগুলোই তাই সেদিন থেকে আমার সাথী। চাঁদের বুড়ীকে খোঁজার অক্ষম হাহাকার মিটিয়ে আর আঁধার রাতে তালগাছের মত একপায়ে দাঁড়িয়ে সব গাছ ছাড়িয়ে যাবার তীব্র হাহাকার আমাকে সারাজীবনের মত একা করে দিল যেদিন সেদিন একমাত্র সাথী আমার রবির ছিন্নপত্র। রাজর্ষির কাপালিকের কাছে জানতে চেয়েছি বারবার কোথায় পাবো তারে - উত্তর মেলেনি আজও।

সেদিন চৈত্রসংক্রান্তির রাতে আমার মৃত্যুকে শিয়রে দাঁড়াতে দেখে বড় আনন্দ হয়েছিল - অনেক একাকীত্বের দুয়ার ভেঙ্গে বেড়িয়ে পড়ার আনন্দ। তা কেড়ে নিয়ে দুহাত বাড়িয়ে কেন যে সাথে থাকার লোভ দেখিয়েছিলে আজও আমার জানা হয়নি - শুধু বুঝেছি এতদিনের সাথিহীনতার চেয়ে তোমাকে পাওয়ার ক্ষনিকের সুখকে দেওয়ার মত রসদের বড় অভাব আমার। তাই আমার একলা চলার ছেদ পড়েছে কিনা বোঝার অবকাশ খোঁজার জন্যেই আবার আমি হারিয়ে যেতে চাই। ভালো থেকো।