২৩ মে, ২০১৪

হরিশঙ্কর রায়

গুচ্ছকবিতা - ২
হরিশঙ্কর রায়



(১) সভ্যতা

আমাকে ঘিরে আমার প্রতিচ্ছায়া
আলো-আঁধারিতে
কেঁপে কেঁপে ওঠে,
প্রেম পথে হেঁটে হেঁটে
সভ্যতার বিকাশ খোঁজে ।
প্রতিচ্ছায়া, 'আমিই সভ্য প্রেমিক' ।
একবার ছুঁয়ে দেখোই না !
********************
এই তোমাকে ছুঁয়ে দিলাম !
রক্তবীজে জন্ম নিচ্ছে অনাগত,
থরথরিয়ে কাঁপছে সভ্যতা ।



(২) বুকের ভিতর যে ব্যথা

যে দূর্বাদল জীবনের মতো পেয়েছিল সূর্যের স্বাদ !
ঢেউয়ে ঢেউয়ে স্নাত হয়,
কলকল হর্ষে লাস্যময়ী
বহমান ।

স্বপ্নালু হাওয়ায়
শান্ত শ্বাসে বেঁচে ওঠি ।
এমন বাসন্তী দিনে কেন এমন নিঠুর হলে ?

আমি আনমনা হই-
বরষ বরষ ধরে যে জলে তৃষ্ণা মেটাই
নেই, সেতো আর তেমনটি নেই ।

ও তিস্তা, তোর বুকে
কত অচেনা পথিক
পদ চিহ্ন এঁকে যায়
এপার-ওপার,
শুধু বিষ্ময়ে চেয়ে আছে
এ মরু-প্রান্তর ।



(৩) প্রেমাধাঁরে তুমি

অদ্ভূত আঁধারে যে আলো জ্বালো
তুমিই তো, তুমিই স্বাতী !
অজস্র আলোর ফোয়ারায়
চেয়ে থাকি ।
নির্বাক অন্তরের আলাপন
তুমি শোনো ?
চঞ্চল শিহরণ দখিন সমীরণ
কাঞ্চনে লেগেছে দোলা,
হেনার সৌরভে ছুটে এলো পরিমল;
তোমার পরশ চাহি নিত্য ডাকি
তুমি আসো কই ?
এ আঁধার করো দূর-
হে সুদূর ! হে সুদূর অতিথি !
অদ্ভূত আঁধারে যে আলো জ্বালো
তুমিই তো, তুমিই স্বাতী ।

0 কমেন্টস্:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন